ফ্রিল্যান্সিং এবং জুতার ব্যবসার সাথে একটা ক্লিয়ার ধারনা

আসুন ফ্রিল্যান্সিং এ ক্লায়েন্ট পাওয়া নিয়ে একটা সুন্দর ধারনা + উদাহরন দেই, তাহলে আপনাদের সবকিছু ক্লিয়ার হয়ে যাবে 🎯
মাথায় রাখবেন ফ্রিল্যান্সিং কিন্তু এখন আর মুক্ত পেশা নয়, এটা হচ্ছে আপনার একটি ব্যবসা।
উদাহরন :-
ধরেন, আপনি জুতার ব্যবসা করেন, এখন আপনার কাছে এই জুতা বিক্রি করার কিছু মাধ্যম প্রয়োজন।
১. বিশাল একটা মার্কেট একটা দোকান দিতে পারেন যেইখানে কাস্টমার আসবে।
২. মানুষের কাছে নিজে থেকে গিয়ে গিয়ে জুতা টা বিক্রি করতে পারেন।
৩. আপনি নিজে একটা জুতার ব্র্যান্ড ক্রিয়েট করতে পারেন, তারপর আপনার জুতা যেকোন মাধ্যমে একা একাই ক্রয় করা শুরু করে দিবে কাস্টমার। 🚀
ফ্রিল্যান্সিংয়ে এই বিষয়গুলো কেমন প্রভাব ফেলে? আসুন দেখি জুতার ব্যবসা এবং ফ্রিল্যান্সিং এর ব্যবসাকে মিলিয়ে 👇
👉 জুতার দোকান দেওয়া কে বুঝানো হয়েছে ➡️ আপনি মার্কেটপ্লেস এ নিজের একটা একাউন্ট খুলবেন এবং সার্ভিস বেচা শুরু করবেন।
👉 মানুষের কাছে গিয়ে গিয়ে জুতা বিক্রি করানো কে বুঝানো হয়েছে ➡️ ক্লায়েন্ট দের আউটরীচ করে করে নিজের সার্ভিস সেল দিবেন।
👉 জুতার ব্র্যান্ড ক্রিয়েট করানো কে বুঝানো হয়েছে ➡️ আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ কন্টেন্ট এর মাধ্যমে একটা পার্সোনাল ব্র্যান্ড বানাবেন যেইখানে ইনবাউন্ড ক্লায়েন্ট আসবে একা একাই।
🎯 জী ভাই এই ৩টার বাহিরে কোন ফর্মুলা নাই ফ্রিল্যান্সিং এ ক্লায়েন্ট পাওয়ার।
👉 জুতার ব্যবসায় যেমন একটা দোকান ভালো চলা শুরু করলে সেইখানে কাস্টমার এর অভাব হয়না ঠিক তেমনই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এ আপনার একাউন্ট ভালো চলা শুরু করলে আর ক্লায়েন্ট এর অভাব হয়না, দেখবেন অনেক মানুষ আছে মার্কেটপ্লেস এ চরম সফল পর্যায় চলে গেছেন।
👉 যারা মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সেলস টেকনিক এর মাধ্যমে জুতা বেচা শুরু করে এবং ভালো কোয়ালিটির টেকসই জুতা প্রদান করলে আপনি সেই কাস্টমার থেকে আরো জুতার অর্ডার পাবেন + সে কাস্টমার আরো ২/৩জন কে রেফার করবে আপনার থেকে জুতা ক্রয় করার জন্যে।
জী ঠিক তেমনই ফ্রিল্যান্সিং এ আউটরীচ এর মাধ্যমে যদি একবার ক্লায়েন্ট কে সেল করতে পারেন সার্ভিস + অনেক ভালো সার্ভিস তাকে দিতে পারেন তাহলে সে ও আপনাকে কোনদিন ছেড়ে যাবেনা, আর সে অন্যদের ও রেফার করবে আপনার বিষয়ে 😎
👉 জুতা নিয়ে যদি আপনি একটা ব্র্যান্ড বানাতে পারেন তাহলে সেই ব্র্যান্ড এর প্রতি আস্থা রেখে দেখবেন অনেক কাস্টমার আসছে আপনার কাছে, কেননা আপনার একটা ব্রান্ড আপনার কাস্টমার কে আস্থা দেয় যে আপনি তাকে বেস্ট প্রোডাক্ট দিবেন
ঠিক তেমনই আপনার কন্টেন্ট দেখে আপনার ক্লায়েন্ট আস্থা পাবে যে আপনি ই তাকে ভালো সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারবেন। 🎯
☝️ উপরোক্ত বিষয় গুলো আপনাকে কেউ কোনদিন বলবেনা, আরেকবার হলেও ভালোমতো পড়ে নিন।
এই ৩টা বিষয় থেকে যেকোন একটায় ও যদি সফল হতে পারেন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসায় আপনি সফল।
✅ আশা করি, বিষয় টা বুঝে উঠতে পেরেছেন, এখন না হয় এগিয়ে পড়ুন আপনার সফলতার দিকে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *