হঠাৎ ফেসবুক ব’ন্ধ হয়ে গেলে কিংবা পেইজ ডিজেবল হয়ে গেলে কী করবেন?

আজকাল অনেকেই ফেসবুক পেইজ নির্ভর সম্পূর্ণ ব্যবসায় করেন। যেটা খুবই ঝুঁ’কিপূর্ণ। কোন কারনে নিজের কষ্ট ও পয়সা খরচ করে গড়ে তোলা পেইজ ডিজেবল কিংবা ফেসবুক বন্ধ হয়ে গেলে সব শেষ! 😭

শেষের পরে আবার শুরু করা যতটা কষ্টকর তারচেয়েও সহজ এখনই সময় থাকতে কয়েক বিকল্প পথ তৈরি করে নেয়া।

🛡 আসুন দেখি কিছু বিকল্প পথ ও উপায়সমূহ কী হতে পারে: 👇

🔸 ১. অফলাইন শপ/দোকান:

যদি ভালো ব্যবসায় করেন এবং হাতে যথেষ্ট পরিমাণ ক্যাশ থাকে তবে প্রপার প্লেস দেখে অফলাইন শপ তথা দোকান দেওয়া সবচেয়ে স্ট্যাবল। যদি না করোনার মতন কিছু আবার আসে! তাছাড়া আপনি সহজেই অফলাইন শপকে অনলাইনের সাথে মার্জ করাতে পারবেন।

🔸 ২. ইমেইল মার্কেটিং:

ডিজিটাল মার্কেটিং এ একটা সোনার মতন জিনিস আছে যেটা একদম শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ব্যাপক কার্যকর, সেটা হলো ই-মেইল মার্কেটিং। অনলাইন ব্যবসায় সবচেয়ে শক্তিশালী কারা জানেন? যাদের কাছে ডাটা আছে। যার কাছে যত ডাটা আছে সে তত শক্তিশালী, আর এই ডাটার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে কাস্টমারদের ই-মেইল। এছাড়া ফোন নাম্বার দিয়ে মোবাইল মার্কেটিং করা যায়। তবে আমি এটা রেকমেন্ড করবো না, কারণ এটাতে আমাদের দেশে হিতের বিপরীত ঘটে, মানুষ আগ্রহের দেখানোর থেকে বিরক্ত হয় বেশি, যার প্রভাব সরাসরি ব্র্যান্ডের উপরে গিয়ে পরে।

🔸 ৩. ইউটিউব:

আগে একটা সময় ছিলো ইউটিউবে ভিডিও বানানো মানে অনেক খরচ, অনেক কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। কিন্তু বর্তমান Ai-এর যুগে তা আগের চাইতেও সহস্রগুণ সহজ হয়ে গেছে। ভিডিও মানেই লাইট ক্যামেরা একশন তা নয়। আপনি চাইলে ফেইসলেস ভিডিও কনটেন্ট করতে পারেন। ইউটিউবে প্রচুর ফেইসলেস চ্যানেল সফলতার সাথে ব্যবসায় করছে।

🔸 ৪. নিজের ওয়েবসাইট:

খালি ওয়েবসাইট আর হালকা পাতলা এসইও দিয়ে ওয়েবসাইট চলে না। ওয়েবসাইটের প্রপার মার্কেটিং করতে হবে। যত সোশ্যাল মিডিয়া আছে সবখান থেকে ট্রাফিক নিতে হবে। ওয়েবসাইটের সবচেয়ে বড় সুবিধা, এটার কন্ট্রোল সম্পূর্ণ আপনার হাতে, তাছাড়া উপরের ২ ও ৩ নাম্বার পন্থার সাথে সাইটকে মার্জ করাতে পারলে ব্যবসায় হবে সোনায় সোহাগা।

🔸 ৫. অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া:

যদিও বাংলাদেশের বেশিরভাগ ট্রাফিক ফেসবুক আর ইউটিউবে, তবে তার মানে কিন্তু এই নয় যে তারা আর কোথাও নাই। বর্তমানে প্রচুর বাংলাদেশি ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, টুইটারের মতন সোশ্যাল মিডিয়াগুলোও ব্যবহার করছে। এবং যেহেতু সেখানেও একাউন্ট করতে পয়সা লাগে না সেহেতু সেসবেও একাউন্ট করে আগানো যেতে পারে।

আপাতত এই পাঁচটা উপায় মাথায় এলো। আপনারাও কিছু শেয়ার করুন। মনে রাখবেন, শেয়ার জ্ঞান বাড়ে, কমে না। 🤝

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *